১। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোটের আয়োজন করা হবে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে স্বাক্ষরও করবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপির দাবিও তাই ছিল। অন্যদিকে জামায়াত এটার কোনোটাই চায়নি। এনসিপি গণভোট একই দিনে চাইলেও সনদের আদেশে প্রধান উপদেষ্টার স্বাক্ষর চেয়েছিল। তবে বিএনপির দাবি অনুযায়ী নোট অব ডিসেন্ট থাকছে না। যে বিষয়গুলোতে বিএনপি বেশি আপত্তি ছিল সেগুলো গণভোটেই দেওয়া হয়েছে।

২। আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। উচ্চকক্ষে পিআর হচ্ছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

৩। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে।

৪। গণভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট ‘হ্যাঁ’ সূচক হলে আগামী সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধি নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হবে। এই প্রতিনিধিগণ একইসাথে জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। পরিষদ তার প্রথম অধিবেশন শুরুর তারিখ হতে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার করবে। সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হবার পর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করা হবে। এর মেয়াদ হবে নিম্নকক্ষের শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত।

৫। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

৬। গণভোটের ব্যালটে প্রশ্ন থাকবে ৪টি, ভোট দিতে হবে ১টি। হ্যাঁ অথবা না।
সব পক্ষকে কমবেশি সন্তুষ্ট করে একটা ব্যালেন্সড ঘোষনা দিয়েছেন প্রফেসর ড. ইউনুস সাহেব।